মাগুরার বাণী

মাগুরা শ্রীপুরের দারিয়াপুর কলেজে কম্পিউটার চুরি,শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ এলাকায় চরম আতংক

মাগুরা শ্রীপুরের দারিয়াপুর কলেজে কম্পিউটার চুরি,শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ এলাকায় চরম আতংক

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার দারিয়াপুর ডিগ্রী কলেজে গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে কম্পিউটার ল্যাবের তালা ভেঙ্গে এক দুর্ধর্ষ চুরি সংঘটিত হয়েছে। এক সপ্তাহ অতিবাহিত হলেও কোনো ক্লু খুঁজে পাইনি কলেজ কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ প্রশাসন। তবে এ পর্যন্ত কলেজের ৩ জনকেসহ মোট ১০ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন বলে আশার কথা শুনিয়েছেন শ্রীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আলী আহমেদ মাসুদ। অন্যদিকে গ্রেপ্তারের ভয়ে চরম আতংকে আছে উপজেলার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নৈশ প্রহরিসহ দারিয়াপুরসহ এর আশেপাশের লোকজন।

কলেজ কর্তৃপক্ষ জানায়, গত ১৯ আগস্ট দিবাগত রাতে দারিয়াপুর ডিগ্রী কলেজের বিজ্ঞান ভবনের ল্যাব কক্ষের তালা ভেঙ্গে ৪টি কম্পিউটার, ৪টি মনিটর, ৪টি সিপিইউ , ১টি মনিটরসহ, অন্যান্য বিভিন্ন মালামাল নিয়ে যায়,বিষয়টি কলেজ কর্তৃপক্ষ অবহিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আহমেদ আলী মাসুদকে অবহিত করা হলে তিনি তাৎক্ষনিক ঘটনাস্হল পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্হা গ্রহন করেন।

চুরি সংঘটিত হওয়ার পরের দিন শুক্রবার সন্ধ্যায় কলেজের নৈশ প্রহরী দেখতে পায় এবং তাৎক্ষনিক এলাকার লোকজনকে অবহিত করে।

অত্র কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো: মোশাররফ হোসেন কলেজে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গত ২১আগস্ট কলেজের সুরক্ষার জন্য আমরা স্হানীয় গন্যমাণ্য ব্যক্তিদের নিয়ে একটা আলোচনা সভা করেছি।চুরি রোধে সবরকম ব্যবস্হা গ্রহনসহ বেশ কিছু গুরুত্বপুর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

এবিষয়ে অত্র কলেজের নৈশ প্রহরী মো: শফিউদ্দীন মোল্যা জানান, আমি ২০ তারিখ সন্ধ্যায় রুমে তালা ভাঙ্গা দেখতে পাই এবং সংগে সংগে স্হানীয় লোকদেরকে অবহিত করি।

২৭ আগষ্ট২০২০ বৃহস্পতিবার দুপুরে এ বিষয়ে দারিয়াপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো: জাকির হোসেন কানন মোবাইল ফোনে আমাদের প্রতিনিধিকে জানান কলেজের নৈশ প্রহরির দ্বায়িত্বেে অবহেলার প্রমান পেয়েছি, ইতিপূর্বে ও ঐ কলেজে উক্ত নৈশ প্রহরির গাবলতির কারণে একাধিক ফ্যান চুরির ঘটনা ঘটেছিলো, তখনই ওকে সর্তকতা করা হয়েছিল। তবে আমরা কলেজে বসে আঞ্চলিক কমিটি গঠন করে তদন্ত অব্যহত রেখেছি, এখন পর্যন্ত চুড়ান্ত সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারেনি, তাই আবারো ৩ দিনের সময়ের জন্য আমরা ওসি সাহেবকে বলেছি হয়তো আরো বেশী লাগতে পারে।

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আলী আহমেদ মাসুদ ও ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন,আমি চুরির বিষয়টি শোনার পর পরই আমার সঙ্গীয় ফোর্সসহ কলেজ এলাকায় পৌঁছাই এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করি, এখন পর্যন্ত কলেজের নৈশ প্রহরি ও কলেজের ৩ জনসহ এলাকার ১০ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। খুব শিঘ্রি হয়তো ভালো একটা ফলাফলের আশা করছি। এদিকে শ্রীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আলী আহমেদ মাসুদকে ২৭ আগষ্ট দুপুরে কলেজেে সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি জানান কলেজে ৯ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে, তাঁরা নতুন আরো একজন নৈশ কালিন পাহারা দেওয়ার জন্য ২জনকে দায়িত্ব দিয়েছে এবং যে সব স্থানে আলোর ব্যবস্থা ছিলোনা সেখানে আলোর ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে আমাকে কলেজ কর্তৃপক্ষ অবহিত করেছেন।

শেয়ার করুন
  • 520
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    520
    Shares
  •  
    520
    Shares
  • 520
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *